বোধহয় কেকার দয়া হল। কিছুটা এগিয়ে এসে ঝোপের মধ্যে থেকে পেখম তুলল। তারপর কাঁপাতে কাঁপাতে মেলে ধরল নিজেকে। সংস্কৃতে যাকে বলে কলাপ বিস্তার। আহা কী বাহার! জন্মান্তরের কথা জানি নে। এ জন্মে তো ভুলব না। ময়ূর-সফরের পুরোটা
রবিশঙ্কর দত্ত দু’একটা চ্যাপ্টা, বেশিরভাগই গোল। ময়দার তৈরি কাঠি। চিনির রসে ডুবিয়ে তোলা। এই তো কটকটি। সেই কটকটি। ট্রেনের দরজায় দাঁড়িয়ে খবরের কাগজের সেই ঠোঙা ভরা কটকটি মুহূর্তে শেষ। একটু আগে গুড়েরটা নিয়ে ঘুরে, হেঁকে গেলেন আরেকজন। সে কাঠির রং আলাদা। লাল বললে বোঝা যাবে না। গেরুয়া মতো। তাতে মিষ্টিটা একটু বেশিই। দশ টাকা শ। […]
দীপক দাস নানা গল্প বলছিল সুমন্ত, দিলীপদা। কাঁটাতারের বেড়ার ওপারের গ্রাম দেখিয়ে বলেছিল এক আত্মীয়ের গল্প। তাদের বাড়ির মেয়ের বিয়ে হয়েছিল ওপারে। একদিন মেয়েটির বাবা মারা গেল। কিন্তু বিকেলে নির্দিষ্ট সময়ের আগে গেট খোলার নিয়ম নেই। মেয়েটি দেখতে পাচ্ছে, বাড়িতে কত লোক শেষ দেখা দেখতে আসছে। তারই বাবাকে শেষ বিদায় জানাচ্ছে। কান্নাকাটির আভাস মিলছে। কিন্তু […]