সপ্তপর্ণা ভট্টাচার্য্য ছাদে আড্ডা দেওয়ার বেশিরভাগ সময়ই একটা ভাল দিক থাকে। কখনও কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ভীষণ ভাল ঘটনাও ঘটে যায়। মুর্শিদাবাদে ফুডকা টিমের প্রথম দিনের ফুড ইভেন্টে অংশ নিয়ে অসাধারণ অভিজ্ঞতা হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা লিখেওছিলাম। ইন্দ্রজিৎ লাহিড়ীর সঙ্গে ছোটে নবাবের ছাদে প্রথমদিনের আড্ডা সেই অনাকাঙ্ক্ষিত ভাল ঘটনাটা ঘটিয়ে দিল। ফুডকার দু’জন সদস্য হীরাঝিলে অন্য সদস্যদের নিয়ে […]
Author: jathatatha
নবাবি কেল্লায় নবাবি খানার স্বাদ সন্ধানে
সপ্তপর্ণা ভট্টাচার্য্য মাস দেড়েক আগে একদিন বিকেলে বন্ধু ফারুকের ফোন এল। জিজ্ঞেস করল, ‘‘ইন্দ্রজিৎ লাহিড়ীকে চিনিস? ফুডকা নামে ইউটিউব চ্যানেল আছে।’’ বললাম, ‘‘হ্যাঁ চিনি।’’ ওই মুহূর্তের “হ্যাঁ চিনি” বলাটাতেই হয়তো চিনির মতোই মিষ্টি একটা যোগসূত্রে বেঁধে গেলাম ইন্দ্রজিৎদার সঙ্গে। সেই প্রথম আলাপ। কিন্তু সম্বোধনটা ইন্দ্রজিৎদা বলেই লিখলাম। কারণটা পরে বলছি। জানতে পারলাম, উনি একটা ‘ফুড […]
চললাম তবে চাইবাসা— বিরদি পর্ব
দীপক দাস গাড়িচালক সৌভাগ্যে আমরা বরাবর ধন্য। জেনে আসিনি। ট্রেনে লোকের সঙ্গে ভাব জমিয়ে জানতে পারিনি। এমন বহু জায়গা ঘোরা হয়েছে শুধু গাড়িচালকদাদাদের সৌজন্যে। হয়তো বহু পর্যটকদের তাঁরা এমনই সাহায্য করেন। কিন্তু আমাদের মনে হয়, আঁদাড়পআঁদাড়ে ঘুরে বেড়াই বলেই আমাদের ওঁরা খুশি হন। কত দূর থেকে তাঁদের এলাকা দেখতে এসেছি। খুশি হয়ে তাই একটু ভাল […]
চললাম তবে চাইবাসা— আতঙ্ক পর্ব
দীপক দাস জায়গার নাম শুনে চমকে উঠেছিলেন ভদ্রলোক, ‘‘ওরে বাবা, সারান্ডা!’’ পরের প্রশ্ন, ‘‘কেন যাবেন?’’ এ প্রশ্ন শুনেছিলাম চাইবাসা স্টেশনে এক আরপিএফ কর্মীর মুখেও। তিনি চমকাননি। তাঁর ‘‘কেন যাবেন?’’ প্রশ্নে সাবধানবাণী ছিল। তাতে অযথা ঝুঁকি না নেওয়ার পরামর্শও ছিল বোধহয়। স্টেশনে নেমে আমরা একপ্রস্থ জিজ্ঞাসাবাদ চালাই। সেই অভ্যাসে জানতে চেয়েছিলাম, ঝিঁকপানি নামে জায়গাটায় থাকার ঘরটর […]
চললাম তবে চাইবাসা— অনন্ত যাত্রা পর্ব
দীপক দাস ট্রেনের টিকিটে ‘হ্যাপি জার্নি’ লেখা থাকে। হিন্দিতে যতই ‘শুভ যাত্রা’ লেখা থাক না কেন হ্যাপি মানে বাংলায় খুশি, আনন্দময়। এ বার লেখাটা বদলের সময় এসেছে। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ক্ষেত্রে বদলটা জরুরি। লেখা উচিত, ‘আনন্দময় অনন্ত যাত্রা’। ট্রেনের হ্যাপি জার্নির ঠেলায় তো বন্ধু বিচ্ছেদ হওয়ার জোগাড়! বারকয়েক চকিত সাক্ষাতের ক্ষণিকের আলোচনা, দু’দিনের ম্যারাথন বৈঠকের পরে […]
সাউলিয়ার জঙ্গলে টোটো-সাফারি
দীপক দাস এক ফরাসি ইতিহাসকার ও সাহিত্য সমালোচক নাকি ঘোরাঘুরির বাতিক যাঁদের রয়েছে তাঁদের মোটামুটি ছ’ভাগে ভাগ করেছেন। একদল পথ চলতে পারলেই খুশ। আরেক দল হোটেলের জানলা দিয়ে ‘সাইট সিয়িং’ করে। ঘুরতে গিয়ে ভাত ঘুম দিয়ে, খবরের কাগজও পড়ে। দল ছাড়া বেরোতে চায় না আরেক দল। অচেনা খাবার মুখে তোলে না, টেনেটুনে খরচ করে দলটি। […]
সোনামুখির শোলা ও সিল্ক পাড়ায়
দীপক দাস চোখ বোলানোই বলা যায়। পরীক্ষার আগে চোখ বোলানোর একটা অর্থ হয়। আগে পড়া আছে, সেটা আরেকবার দেখা। এই চোখ বোলানো একেবারেই উপর উপর। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এগিয়ে নিয়ে চলা পেশার কিছুই ক্ষণিকের দেখায় বোঝা সম্ভব নয়। তবুও গিয়েছিলাম। অন্তত দেখাটা তো থাক। আবার কোনও দিন এ দিকে আসা হবে কিনা জানা নেই […]
সোনামুখির হাতি-ঘোড়া
দীপক দাস দেওয়াল লিখন ঠিকঠাক পড়তে না পারলে বিপদ। কথাতেই আছে। না পড়তে পারলে রসাতলে যেতে হয়। যেতে হয়নি আমাদের। তবে খেতে হয়েছিল। অচেনা এক ভদ্রমহিলার মুখের উপর বলে দিয়েছিলেন, ‘‘আপনি ভুল দেখেছেন।’’ ওই দেওয়াল লিখন আর কী। উঁচু স্বর, প্রতিবাদের সামনে আমি বরাবরই ঘাবড়ে যাই। গলা শুকিয়ে যায়। স্বর হয় মিনমিনেতর। ঠোঁটে আপনা থেকেই […]
ধারা চানে চটকপুরে
সৌগত পাল জুলাই মাসের শেষ। ২০২৩। বৃষ্টি পড়ছে। তাই ঘরে ল্যাদ খাচ্ছি। বাঁকুড়া থেকে ক্যাপ্টেন কলিং। এ বছরের ঘুরতে যাওয়ার জায়গা ঠিক করতে হবে। কিন্তু আমাদের সময় তো নভেম্বর বা ডিসেম্বর। এতো আগে থেকে ঠিক করব কেন? ক্যাপ্টেনের আবদার যদি অগস্টে একটা ছোট সফর করা যায় তা হলে নভেম্বর এ বড় সফর যেমন হয় সে […]
চ্যাপ্টা রসগোল্লার রহস্য সন্ধানে
দীপক দাস সমস্যাটা জিভের নয়। জ্যামিতির। তার মানে অঙ্কের। আর সেখানেই ভয়। আমি তো অঙ্কে বারো। ইন্দ্র হয়তো কুড়ি-বাইশ আরেকটু বেশি পঁচিশ। মানে কাঁচাই। ঘাসপুসের মানে বটানির ডক্টর হয়েও দীপু অঙ্কে ভাল। কিন্তু তাকে পাওয়া মুশকিল। সায়েন্স কলেজে কী পরীক্ষায় ব্যস্ত। কালীঘাট মেট্রো স্টেশনে নেমে স্কাইওয়াকে ওঠার মুখে দাঁড়িয়ে ফোন করল ইন্দ্র। ডক্টর ঘাসপুস জানিয়ে […]










