দীপক দাস ইচ্ছে ছিল নেগুয়ায় যাওয়ার। ‘সাহিত্য সম্রাট’এর স্মৃতি বিজড়িত স্থান। নেগুয়া মহকুমার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর ছিলেন। সমুদ্র তীরবর্তী এই এলাকাবাসের অভিজ্ঞতা ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসে রয়েছে। নেগুয়া মহকুমা এখন আর নেই। কাঁথি মহকুমা হয়েছে। তবে বঙ্কিমচন্দ্রের স্মৃতি রয়েছে এখনও। নেগুয়া এখনকার পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় পড়ে। যাওয়া হয়নি কাঁঠালপাড়াতেও। তবে গিয়েছিলাম হুগলির চুঁচুড়ায়। ২০১৯ সালে। […]
সোহিনী দেবরায় অবশেষে এল অতি প্রতীক্ষিত ১৩ মে। আমার শহর কলকাতা ভিজল মরশুমের প্রথম বৃষ্টিতে। আর আমরা ভিজতে ভিজতে রাত আটটার মধ্যে পৌঁছলাম হাওড়া স্টেশনে। ৯.৪৫ এর পাহাড়িয়া এক্সপ্রেস প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে। তখনও দলের সবাই এসে পৌঁছয়নি। সবাই আসার পর ট্রেনে উঠে নির্দিষ্ট আসন সংখ্যা খুঁজে নিলাম। ট্রেন ঠিক সময়েই ছাড়ল। দোদুল্যমান অবস্থান আর একটানা মৃদু […]
দীপক দাস সে বেহুলা ছিল পালাগানের। হতে পারে পুতুল নাচেরও। তখন দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণি। জীবনানন্দের বেহুলা গাঙুড়ের জলে ভেলা ভাসিয়েছিলেন কিনা তখনও জানা হয়ে ওঠেনি। তবে চাঁদ সদাগরের মিষ্টি পুত্রবধূর সর্বনাশের কাহিনি প্রথম জেনেছিলাম পুতুল নাচ থেকে। আমাদের গ্রামের দু’টো গ্রাম পরে বড়গাছিয়া হাসপাতাল মাঠে একবার পুতুল নাচের আসর বসেছিল। ছোট পিসি আমাকে আর […]